শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজমল হুদা মিঠু।জানা যায়, আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রগামী এ সৈনিক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
আজমল হুদা মিঠু গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে সততা আর নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
তার নেতৃত্বে উত্তরা পশ্চম থানা বিএনপির নেতা কর্মীরা ছিলো সু-সংগঠিত। রাজপথের লড়াকু সৈনিক আজমল হুদা দলের জন্য নিবেদিত। জানা যায়, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গত ১৫ বছর যাবত তিনি জেল-জুলুম হামলা- মামলার স্বীকার হয়েছিলেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি প্রায় ৭০টি মামলার আসামি হয়েছিলেন।
জানা যায়, তিনি ছাত্র জীবন থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দলকে ভালোবেসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পতাকাতলে এসে ১৯৯৩ সালে ছাত্রদল ও ১৯৯৮ সালে ১ নং ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ২০১০ সালে অবিভক্ত উত্তরা থানা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১২ সালে তিনি অবিভক্ত উত্তরা থানা যুবদলের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। দলের জন্য নিবেদিত সাদা মনের এই মানুষটির কাজে সন্তুষ্ট হয়ে ২০১৮ সালে উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল নিরহংকার এই নেতার কাজের যোগ্যতা অর্জনের মধ্যদিয়ে ২০২০ সালে উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির সদস্য সচিব পদে নির্বাচিত হন। পরোপকারী বিনয়ী এ নেতা বিএনপির রাজনিতীতে যুক্ত হওয়ার পর থেকে দলের জন্য নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে আসছেন।
জানা যায়, পারিবারিক ভাবে বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকায় তিনি দলের দূর দিনে অবহেলিত নেতা কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে সর্বোচ্চ সেবা দিয়েছেন। উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজমল হুদা মিঠু রাজনীতির পাশাপাশি একজন সফল ব্যবসায়ী। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে তিনি স্ব-শরীর জুলাই-২৪ ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অগ্রনী ভুমিকা পালন করছেন। স্থানীয়রা জানান, আজমল হুদা মিঠু সামাজিক বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও আগামী দিনের উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে জনগণের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছে। ২০২২ সালে তরুণ ও মেধাবী এ রাজনৈতিক উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন।
তারা আরো বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে তিনি সব সময় অগ্রনী ভুমিকা রেখে আসছেন। এ সময় আজমল হুদা মিঠু বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গত ১৫ বছরে প্রায় ৭০টি মামলা খেয়ে সাজা প্রাপ্ত হয়ে ফেরারী জীবন যাপন করলেও পিছু হটেনি। আওয়ামী লীগ সরকারের পুলিশ তার বাসায় ১০০ বারের ও বেশি অভিযান দিয়েছে। এ ছাড়াও তার বাসায় ছাত্রলীগ, যুবলীগ,আওয়ামী লীগ ও পুলিশ বাহিনী মিলে কয়েকবার হামলা চালিয়ে বাসা বাড়ি ভাংচুর করে।
জানা যায়, গত ৩১/০৮/২০১৬ ইং তারিখ তার বাসায় হামলা চালিয়ে ফাঁকা গুলি করেন। এ সময় তার মমতাময়ী মা গুলির শব্দে হার্ট অ্যাটাক করে।পরবর্তীতে তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসারত অবস্থায় তিনি ০২/০৯/২০১৬ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে পরে কয়েবার তিনি জেল খেটেছেন। জানা যায়, গত ২৮/০৯/২০২৪ ইং তারিখ দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে আজমল হুদা মিঠুর দলীয় সদস্য পদ বাতিল করা হয়। এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার।
শুধুমাত্র রাজনৈতিক ইমেজ নষ্ট করতে একটি মহল তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন,মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কিছু লোক তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। দলীয় সিদ্ধান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজমল হুদা মিঠু ইনকিলাবকে বলন,আমি দলের একজন নগণ্য কর্মী। আমার ব্যাক্তিগত অপরাধের দায়ভার দল নিবে কেন? দলীয় সিদ্ধান্ত আমি মাথা পেতে নিয়েছি।আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত চলছে। দল যখন চাইবে আমি আবারও কাজ শুরু করবো ইনশাআল্লাহ।